শনিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

তুমিও আজ সাদা কালো,আমার অলংকার।

মেঘে ঢাকা আকাশের ফাঁক গোলে
তোর মিষ্টি হাসিরা
রোদ হয়ে ঝরে!
ভোরের কোমলতায় ভেসে আসে
তোর চোখের স্নিগ্ধতা।
হেমন্তের বাতাসে খেঁজুর পাতার ছন্দ
মিশে একাকার তোর চলার ভঙ্গিতে!



আমার মনন জুড়ে ঢেউ খেলে
তোর সৌন্দর্য্যধারা,
অনুভূতিরা ভেজে তোর গন্ধে,
আমি ভুলে যাই তোকে ডুমুরের ফুলে,
সাপের পায়ে, অমাবস্যার চাঁদে।
তুই হয়ে যাস সময়ে-অসময়ে,
কারনে-অকারনে আমার শেষ নিশ্বাস...!

চলছে,চলূক না! আমার ভালবাসা তোমার স্মীতির প্রতি

সে দিন আষাঢ়ের রাত ছিল। চন্দ্র তার দর্শন দিতে ভুলে গেছে প্রায় সপ্তাহ হয়।
বিদঘুটে অন্ধকার....

অপেক্ষার প্রহর গুনছিলাম অম্র বৃক্ষের নিচে। তুমি কথা দিয়েছিলে, আসবে বলে।

কাক ভেজা হয়ে থাকা গাছগুলো হিংসায় জ্বলে ছাড়খার হচ্ছিলো।
তাচ্ছিল্লের সাথে ধিক্কার দিতাম, ওই বেহায়া চাহুনিতে!
সব কিছুই তুমি আসবে, কথা দিয়েছিলে বলে....

বৃক্ষগুলোর চক্ষু শূল ছিলাম, শুধুই তোমার কারনে।
স্পর্শ পেতে চাইতো তোমার নানা ছলে।

শহর জুড়ে নিস্তবতা। শেষ পাখির ডাক ও আর ভেসে আসছে না।
টুপ টাপ করে ফোটা ফোটা পানি পড়ছে ছাদের কার্নিশ থেকে......
নর কবুতরের গোংগানি শোনা যাচ্ছে স্পষ্ট।
দাড়িয়ে আছি তুমি কথা দিয়েছিলে, আসবে বলে!!

হিংসায় জ্বলে মরা বৃক্ষ গুলো ফোটায় ফোটায় জ্বল ছুড়ে মারছে,
আমি শুধু আড় চোখে চেয়ে দেখছি, ওরা হিংসায় জ্বলছে............।।
সব কিছুই তুমি আসবে, কথা দিয়েছিলে বলে....

পৃথিবীর বুকে সন্ধ্যা নামলেই আমার ভিখু হয়ে যেতে ইচ্ছে করে কেন? ইচ্ছের রঙ-তুলি দিয়ে অন্ধকারের পিঠে পোট্রেট আঁকতে আঁকতে নিজেকেই প্রশ্ন করি-আমার ভেতর এতো খররোদ্রের দহন কেন? তোমায় মনে পড়লে আমার বুক কেন কেঁপে ওঠে?তোমায় হারানোর কথাটা স্মরণ হলে কেন আমার ভেতর ক্ষরণ ঘটে?


ভাবের জমিনে তোমার স্মীতির চাষাবাদ করতে আমার খারাপ লাগে না; তবে তোমায় কোনোদিন পাবো না কথাটা শুনলেই  সত্ত্বা নড়েচড়ে ওঠে! ধৈর্যের কলাবাগানে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে নিজেকে শোধরাতে থাকি। চলছে, চলুক না!